প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বিপাকে মিসবাহ-আজহার

প্রকাশিত: ৩:০৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বিপাকে মিসবাহ-আজহার

স্পোর্টস ডেস্ক
পাকিস্তানের বর্তমান ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামো পছন্দ নয় অনেক তারকা ক্রিকেটারের। নতুন সিস্টেমের কারণে অনেক সিনিয়র খেলোয়াড় আর্থিক জটিলতায় পড়েছেন। গত বছর থেকে চালু হওয়া নতুন এই কাঠামো অবশ্য প্রধানমন্ত্রী ইমরানেরই প্রস্তাবিত।

দেশটির বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ক্রিকেটার ইমরান খানের সঙ্গে নতুন ক্রিকেট কাঠামো নিয়ে কথা বলতে তার অফিসে যান জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক কাম প্রধান কোচ মিসবাহ-উল-হক, টেস্ট অধিনায়ক আজহার আলী ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মোহাম্মদ হাফিজ।

কিন্তু তারা যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন সেটা জানত না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।প্রধানমন্ত্রীর অফিসে গিয়ে মিসবাহ-আজহার-হাফিজরা পিসিবির চেয়ারম্যান এহসান মানি ও প্রধান নির্বাহীকে দেখতে পেয়ে চমকিয়ে যান।

আজহার আলী ও মিসবাহ-উল হক ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তিবদ্ধ থাকা সত্ত্বেও পিসিবিকে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিপদেই পড়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার বিষয়টি কেন তারা গোপন করেছেন-সেজন্য আজহার আলী ও মিসবাহর কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে পিসিবি।

মিসবাহ ও আজাহারের এমন আচরণে উদ্বিগ্ন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তাদের কর্মের ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য আগামী সপ্তাহে ডাকা হবে।

গত মৌসুম থেকেই পাকিস্তানের ঘরোয়া কাঠামোতে চালু হয় যে, শুধু ছয়টি আঞ্চলিক দল অংশ নিতে পারবে। কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে দল না থাকায় সিনিয়র ক্রিকেটাররা অখুশি, তাদের আয় কমছে। ডিপার্টমেন্ট দলগুলোর হয়ে খেলতে গিয়ে বেতনের পাশাপাশি তারা যে বাড়তি সুযোগ-সুবিধা পেতেন সেটিও বন্ধ হয়ে গেছে।

ইমরান খানের সঙ্গে পিসিবি চেয়ারম্যান ও মিসবাহদের বৈঠক নিয়ে পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি বলেছেন, প্রতিটা প্রক্রিয়াকেই অন্তত দুই তিন বছর সময় দেয়া উচিত। এক বছর বা এ রকম সময় পর এই কাঠামোর ফল পাওয়া যাবে। যদি প্রধানমন্ত্রী ভেবে থাকেন এই প্রক্রিয়ায় বিশ্বমানের ক্রিকেটার উঠে আসবে, তাহলে তার সিদ্ধান্তকে আমাদের এক বছর বা ১৮ মাস সময় দেয়া উচিত। তাড়াহুড়া করা ঠিক হবে না।